যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় মৃত্যু ১ লাখ ২২ হাজার
সংক্রমণে আবারও পুরনো রূপে ফিরছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে গত একদিনে অন্তত ৩৩ হাজার মানুষ নতুন করে করোনার শিকার হয়েছেন। এতে করে ভুক্তভোগীর সংখ্যা বেড়ে সোয়া ২৩ লাখ ছাড়িয়েছে।
সংক্রমণে আবারও পুরনো রূপে ফিরছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে গত একদিনে অন্তত ৩৩ হাজার মানুষ নতুন করে করোনার শিকার হয়েছেন। এতে করে ভুক্তভোগীর সংখ্যা বেড়ে সোয়া ২৩ লাখ ছাড়িয়েছে।
গত একদিনে বিশ্বের আরও দেড় লাখের বেশি মানুষ করোনার শিকার হয়েছেন। এতে করে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮৯ লাখ ছাড়িয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, লাতিন আমেরিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার উচ্চ সংক্রমণহারে বিশ্বে আবারও একদিনে রেকর্ড আক্রান্ত হয়েছে। এতে করে করোনাক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ৮৭ লাখ ছাড়িয়েছে।
করোনায় আক্রান্ত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিক কামাল লোহানী আর নেই। আজ শনিবার সকাল ১০টার পরে বেসরকারি একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃতুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের দেওয়া বক্তব্যকে ইঙ্গিত করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘সরকার যখন দিনরাত পরিশ্রম করে মানুষের মনোবল চাঙা রাখার নিরলস প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে,
সময়ের সাথে ভারতে শক্তি বাড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে পৌনে ২ লাখ নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এতে করে সংক্রমণ ৪ লাখের কোটায় ঘুরছে। আশানুরূপ বেড়েছে সুস্থতার হারও, যা দুই লাখ ছাড়িয়েছে। যদিও প্রাণ হারিয়েছেন সাড়ে ১২ হাজারেরও বেশি ভারতীয়।
দেশে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন আরও ৪৫ জন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল এক হাজার ৩৮৮ জন।
কখনো কম কখনা বেশি, এই অনুপাতে আক্রান্ত ও প্রাণহানির তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে। যেখানে করোনার শিকার প্রায় ৯ লাখ মানুষ। আর ভাইরাসটির কবলে পড়ে না ফেরার দেশে ৪৪ হাজারের বেশি ব্রাজেলিয়ান।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসলেও কিছুটা কমতে শুরু করেছে প্রাণহানি। দেড় মাস পর সর্বনিম্ন মৃত্যুর রেকর্ডের পর গত একদিনে সামান্য বেড়েছে প্রাণনাশ। এখন পর্যন্ত দেশটিতে ১ লাখ ১৮ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে করোনায়।
এক মহাদেশ থেকে অন্যটিতে জেঁকে বসছে করোনা। কিন্তু, কোনটি থেকেই পুরোপুরি বিদায় বিদায় নিচ্ছে না। এমনকি উৎপত্তিস্থল চীনে নিয়ন্ত্রণে আসার পর আবারও সেখানে দ্বিতীয় দফা আঘাত হানতে যাচ্ছে ভাইরাসটি।