ভারতে আবারও সর্বোচ্চ আক্রান্ত, মৃত্যু ১৬ হাজার
প্রতিদিনের রেকর্ড সংক্রমণ ও শতশত প্রাণহানিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত। চলমান অবস্থা অব্যাহত থাকলে দেশটিতে করোনা মহামারি রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা।
প্রতিদিনের রেকর্ড সংক্রমণ ও শতশত প্রাণহানিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত। চলমান অবস্থা অব্যাহত থাকলে দেশটিতে করোনা মহামারি রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও জনের ৩৪ মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৯৫ জনে।
বিশ্বব্যাপী আবারও জোরালো আঘাত হানা শুরু করেছে মহামারি করোনা ভাইরাস। ইতিমধ্যে ভাইরাসটির ক্ষতির মুখে পড়েছেন বিশ্বের ৯৭ লাখের বেশি মানুষ। আর প্রাণ ঝরেছে এখন পর্যন্ত ৪ লাখ প্রায় ৯১ হাজার জনের।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও জনের ৪০ মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে এক হাজার ৬৬১ জনের। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮৬৮ জন। এ নিয়ে সর্বমোট এক লাখ ৩০ হাজার ৪৭৪ জন ভাইরাসটিতে সংক্রমিত শনাক্ত হলেন।
কিছুতেই যেন যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়ছে প্রাণঘাতি করোনা। প্রতিদিনই রেকর্ড সংক্রমণে বাড়ছে প্রাণহানি, দীর্ঘ হয়েই চলেছে স্বজন হারাদের মিছিল। যার শিকার প্রায় পৌনে ২৫ লাখ মানুষ, এর মধ্যে না ফেরার দেশে ১ লাখ ২৪ হাজারের বেশি আমেরিকান।
কোনভাবেই তাণ্ডব কমানো যাচ্ছে না প্রাণঘাতি করোনার। উৎপত্তির প্রায় ছয় মাসে ইতিমধ্যে কোটির মতো মানুষ ভুক্তভোগী হতে চলেছে। কিন্তু, এখনও কাঙ্খিত কোন ভ্যাকসিন কিংবা টিকা আবিষ্কারে সফলতা মিলেনি।
প্রাণঘাতি করোনা যেন নতুন করে তাণ্ডব চালাতে শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। টানা তিনদিন সীমিত প্রাণহানির পর আবারও তা বাড়তে শুরু করেছে।
প্রাণঘাতি করোনার উৎপত্তির ছয় মাস হতে চলল। যাতে কোটির মতো মানুষ ভুক্তভোগী হতে চলেছে। কিন্তু, এখনও কাঙ্খিত ভ্যাকসিন কিংবা টিকা আবিষ্কারে সফলতা মিলেনি।
প্রতিরোধের চেয়ে সংক্রমণের পরিমাণ নির্ধারণ করাই যেন আপাতত প্রধান কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে ভারতে। গত তিনদিন আগেই যেখানে আক্রান্ত ছিল ৪ লাখ, মঙ্গলবার রেকর্ড শনাক্তে তা সাড়ে ৪ লাখ ছাড়িয়েছে।
একদিন আগে সংক্রমণে অতীতের সব রেকর্ড ভাঙার পর এবার দ্বিতীয় দেশ হিসেবে প্রাণহানি অর্ধলক্ষ ছাড়াল লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনার শিকার প্রায় পৌনে ১১ লাখ মানুষ। যদিও বেঁচেও ফিরেছেন আক্রান্তদের অর্ধেকের বেশি।