টপ পোষ্ট

ইসিতে জমা হলো বিএনপির আয়-ব্যয়ের হিসাব

0

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ২০২৫ পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে তাদের মোট আয় হয়েছে ২২ কোটি ১৯ লাখ ৫৫ হাজার ১৮২ টাকা এবং ব্যয় হয়েছে ১৫ কোটি ২৬ লাখ ১০ হাজার ৮৫৭ টাকা। স্থানীয়সংবাদ

রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আয়-ব্যয়ের (অডিট রিপোর্ট) এই হিসাব জমা দেন বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
আরও দেখুন
সংবাদ প্রতিবেদন
টিভি সাবস্ক্রিপশন
Arts & Entertainment

বিএনপি’র এই প্রতিনিধি দলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন- দলের কোষাধ্যক্ষ ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ও সহ-দপ্তর সম্পাদক মনির হোসেন।

আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার পর, এক ব্রিফিংয়ে বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, আমাদের ২০২৫ পঞ্জিকা বছরে ১ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত আয়-ব্যয় হিসাব কমিশনে আজ আমরা জমা দিলাম।

তিনি বলেন, ব্যক্তিকে আর্থিক অনুদান, বিভিন্ন জেলায় বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ, পোস্টার লিফলেট ছাপানো, দলীয় প্রয়োজনে গাড়ি ক্রয়, বিভিন্ন জনসভায় খরচ, বিভিন্ন আলোচনা সভায় হল ভাড়াসহ অন্যান্য খরচ, পত্রিকার ক্রোড়পত্র ছাপানো, রমজানের ইফতার মাহফিল ও অফিশিয়াল বিভিন্ন খরচ বাবদ আমরা এগুলো খরচ করেছি।

দলটির ২০২৫ পঞ্জিকা বছরের মোট উদ্বৃত্ত এখন ৬ কোটি ৯৩ লক্ষ ৫৪ হাজার ৩২৫ টাকা, ব্যাংকে গচ্ছিত আছে।
আরও দেখুন
TV Networks & Stations
লাইভ খবর
ডকুমেন্টারি ফিল্ম

রুহুল কবির রিজভী জানান, বছরের শুরুতে প্রারম্ভিক স্থিতি ছিল ২১ কোটি ১৩ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫ টাকা। বছরের আয়-ব্যয় শেষে ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৮ কোটি ৪ লাখ ৭১ হাজার ৬৮০ টাকা। এ ছাড়া হাতে নগদ রয়েছে ২ লাখ ৭৯ হাজার ৭০০ টাকা। সব মিলিয়ে চূড়ান্ত স্থিতি হয়েছে ২৮ কোটি ৭ লাখ ৫১ হাজার ৩৬০ টাকা।

তিনি বলেন, প্রতি বছরের মতো যথাযথ নিরীক্ষা ও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রস্তুত করা হয়েছে।

দলের নিরীক্ষক হিসাব যাচাই করেছেন, কোষাধ্যক্ষ তা তদারকি করেছেন এবং দলের চেয়ারম্যান ও মহাসচিব অনুমোদন ও স্বাক্ষরের পর, তা নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে।

এ সময় তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা ও জনগণের কাছে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবেই প্রতিবছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়া হয়।

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলের আয়-ব্যয়ের উৎস ও ব্যয়ের খাত জনগণের সামনে তুলে ধরা গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি জানান, নির্বাহী কমিটির চাঁদা, বই-পুস্তক বিক্রি, প্রাথমিক সদস্যপদ ফরম ও মনোনয়ন ফরম বিক্রি, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অনুদান ও ব্যাংক আমানতের সুদসহ বিভিন্ন উৎস থেকে মোট ২২ কোটি ১৯ লাখ ৫৫ হাজার ১৮২ টাকা আয় হয়েছে।
আরও দেখুন
People & Society
স্থানীয় সংবাদ
অনলাইন স্ট্রিমিং

অন্যদিকে ব্যক্তিকে আর্থিক সহায়তা, বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ, পোস্টার ও লিফলেট ছাপানো, দলীয় প্রয়োজনে গাড়ি ক্রয়, জনসভা ও আলোচনা সভার ব্যয়, হলভাড়া, পত্রিকার ক্রোড়পত্র প্রকাশ, রমজানের ইফতার মাহফিল ও দাপ্তরিক বিভিন্ন খাতে মোট ১৫ কোটি ২৬ লাখ ১০ হাজার ৮৫৭ টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানান তিনি।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতাদের অংশগ্রহণ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রুহুল কবির রিজভী বলেন, যেহেতু নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হচ্ছে না, তাই কে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশন ও আদালতের। প্রচলিত আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনই বিষয়টি নির্ধারণ করবে।

প্রার্থী বাছাই সম্পর্কে অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন দলীয় প্রতীকে না হওয়ায়, এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম বৈঠক করে পরে সিদ্ধান্ত জানাবে।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে।

এ সময় ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি, হৃদরোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত স্টেন্টের ওপর ভ্যাট প্রত্যাহার, ক্যান্সার, কিডনি, থ্যালাসেমিয়া ও হৃদরোগে আক্রান্ত দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করা এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের মতো সরকারের নানা উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি।

এএইচ

শেয়ার করুণ

Comments are closed.