‘রহস্যজনক’ মৃত্যু শোবিজ অঙ্গনে নেহাত কম নয়। গেল শনিবার বলিউড অভিনেত্রী শ্রীদেবীর মৃত্যু হয়। এ মৃত্যুকে ঘিরে রহস্যের কোন কমতি ছিল না।
প্রথমে হার্ট অ্যাটাক, এরপর অজ্ঞান হয়ে বাথটাবে পড়ে পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে বলা হলেও এখন অনেক সংবাদমাধ্যমই বলছে ‘রহস্যজনক’দুবাইয়ের নিভৃত হোটেলে শ্রীদেবীর নিথর পড়ে থাকায় ভারত ছাড়িয়ে এ সন্দেহ ও সংশয় ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বময়। খোদ স্বামী বনি কাপুরকেও রাখা হয়েছে সন্দেহভাজন তালিকায়।
মিডিয়ায় বিশেষজ্ঞ ও সাবেক পুলিশ কর্মকর্তারা নানা বিশ্লেষণ শুরু করেছেন। পঞ্চাশবর্ষী সুপারস্টার শ্রীদেবীর মৃত্যুটিতে জীবনের স্বাভাবিক যবনিকাপাত বলছেন না কেউই।
রহস্যময় মৃত্যুর তালিকায় শ্রীদেবী প্রথম নন। আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে লাস্যময়ী বলিউড তারকাদের ভাগ্যে। অনেক নায়িকার মৃত্যু নিয়ে এখনও রয়েছে চরম রহস্যের ধূম্রজাল।
রহস্যজনক মৃত্যুর মিছিলে প্রথম নাম হিসাবে স্থান হয়েছিল মধুবালার। রোমান্টিক এই নায়িকা ১৯৬৯ সালে মাত্র ৩৬ বছর বয়সে নিঃসঙ্গ অবস্থায় মারা যান। তখনও বলা হয় হৃদরোগের কথা।
প্রথমে তাকে যে কবরে সমাহিত করা হয়, সেখান থেকেও মরদেহটি সবার অগোচরে সরিয়ে ফেলা হয়। আসলে কী কারণে মধুবালার মৃত্যু হয়েছিল এবং কেন তার মরদেহ সরিয়ে ফেলা হয়, তা আজ পর্যন্ত উন্মোচিত হয়নি। জীবনের মতোই মৃত্যুতেও রহস্যময় হয়ে আছেন তিনি।
৩৯ বছর বয়সে নায়িকা মীনাকুমারীর মৃত্যুও রহস্যাবৃত হয়ে আছে। তার অভিনীত সেরা ও তুমুল জনপ্রিয় ছবি ‘পাকিজা’ মুক্তির মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে এই অভিনেত্রীর মৃত্যুকে ঘিরে জমাট হয়ে আছে নানা রহস্য।
২০১৩ সালে মারা যান সম্ভাবনাময়ী নায়িকা জিয়া খান। তার মৃত্যুকে চিহ্নিত করা হয়েছে ‘প্ররোচিত আত্মহত্যা’ নামে। জিয়া খান নিজে সুইসাইড নোট-এ কয়েকজনের নাম লিপিবদ্ধ করে গিয়েছিলেন। প্রথমে খুব হৈ চৈ হলেও পরে সব কিছু ধামাচাপা পড়ে যায়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও উস্কানিদাতারা রয়ে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে।
এক সময়ের হার্টথ্রব পারভিন ববি’রও স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। ২০০৫ সালে নিজের ফ্ল্যাটে পাওয়া যায় তার মৃতদেহ। তার মৃত্যুর সন্তোষজনক কারণ জানাতে পারেনি।