টপ পোষ্ট

বাংলাদেশের যত জয় বিশ্বকাপে

0

 

 

 

 

 

 

 

ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে সোমবার ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সাত উইকেটে বিধ্বস্ত করে সেমির স্বপ্ন উজ্জ্বল করেছে বাংলাদেশ। এবারের আসরে সাকিবদের স্বপ্নযাত্রা শুরু হয় দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে।

বিশ্বকাপ যাত্রায় পেছন ফিরে দেখা যাক বাংলাদেশের যত জয়-

১৯৯৯ বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বকাপ। অভিষেকেই আবির ছড়ানো মদির ও মধুর জোড়া জয়। শুরুটা স্কটল্যান্ডকে ২২ রানে হারিয়ে। চমক তখনও বাকি। টাইগারদের দ্বিতীয় শিকার ওয়াসিম আকরামের পাকিস্তান। ৬২ রানের দুরন্ত জয়। বাংলাদেশের ২২৩ রানের জবাবে পাকিস্তান অলআউট মাত্র ১৬১ রানে। ২৭ রান করার পর তিন উইকেট নিয়ে লাল-সবুজের জয়ের নায়ক খালেদ মাহমুদ।

২০০৭ বিশ্বকাপে আবারও রয়েল বেঙ্গল টাইগারের গর্জন। এবার ধরাশায়ী ভারত। ত্রিনিদাদে রাহুল দ্রাবিড়রা আগে ব্যাট করে তুলেছিলেন ১৯১ রান। জবাবে ৪৮.৩ ওভারে পাঁচ উইকেট খুইয়ে সেই রান টপকে যায় বাংলাদেশ। ম্যাচসেরা হয়েছিলেন মাশরাফি মুর্তজা। ৯.৩ ওভারে ৩৮ রান দিয়ে চার উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। সেবার সুপার আটে গ্রায়েম স্মিথের দক্ষিণ আফ্রিকা-বধ করেন মুশফিকুর রহিমরা। ২৫১ রানের টার্গেট পেয়ে ৪৮.৪ ওভারে ১৮৪ রানেই অলআউট হয় প্রোটিয়ারা। ৮৩ বলে ৮৭ রান করে ম্যাচসেরা হন মোহাম্মদ আশরাফুল।

২০১১ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের কাছে হার মানে ইংল্যান্ড। চট্টগ্রামে প্রথমে ব্যাট করে ২২৫ রান তোলেন অ্যান্ড্র– স্ট্রাউসরা। ৪৯ ওভারেই ওই রান তুলে নেন সাকিব আল হাসানরা। দুই উইকেটে জিতে দেশের মাটিতে আনন্দের জোয়ার বইয়ে দেন তারা। ১০০ বলে ৬০ রান করে ম্যাচসেরা হন ইমরুল কায়েস।

পরের বিশ্বকাপেও ইংল্যান্ডকে হারায় বাংলাদেশ। অ্যাডিলেডে আগে ব্যাট করে ২৭৫ রান করে বাংলাদেশ। ইংল্যান্ড ৪৮.৩ ওভারে ২৬০ রানে গুটিয়ে যায়। ঝকঝকে ১০৩ রান করে সেরার সম্মান পান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

এবারের বিশ্বকাপে প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে ২১ রানে জয় দিয়ে শুরু বাংলাদেশের। ওভালে প্রথমে ব্যাট করে ছয় উইকেটে ৩৩০ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে আট উইকেটে ৩০৯ রান করে ইনিংস শেষ করে ফাফ ডু প্লেসি-বাহিনী। ৮৪ বলে ৭৫ রান করে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হন সাকিব আল হাসান।

প্রোটিয়াদের পর সোমবার টন্টনে ক্যারিবীয়দের অনায়াসে হারায় বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩২১ রান করলেও সেই লক্ষ্য অতি সহজেই পূরণ করেন সাকিব আল হাসানরা। ৪১.৩ ওভারে মাত্র তিন উইকেট খরচ করেন তারা। চলতি বিশ্বকাপে দ্বিতীয় শতরান (অপরাজিত ১২৪ রান) এলো সাকিবের ব্যাট থেকে। সঙ্গে দুই উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন সাকিব। ওডিআইতে এ নিয়ে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২০তম বার ম্যান অব দ্য ম্যাচ হলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

শেয়ার করুণ

আপনার মন্তব্য দিন