
স্বামীকে তার সাবেক স্ত্রীদের সঙ্গে পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় এবং যৌতুকের দাবিতে দুই সন্তানের জননী এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।মঙ্গলবার (২৮ মে) রাতে কুমিল্লার হোমনা উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত গৃহবধূর নাম নাজমা আক্তার। তিনি উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের মো. মাইনুদ্দিনের স্ত্রী ও তিতাস উপজেলার কড়িকান্দি গ্রামের আবদুস সালামের মেয়ে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৬ বছর আগে দুর্গাপুর গ্রামের মাইনুদ্দিনের সঙ্গে নাজমা আক্তারের বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পর তারা জানতে পারেন মাইনুদ্দিন আগে আরও দুটি বিয়ে করেছেন। তবে আগের স্ত্রীদের সঙ্গে তার ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে।
বিয়ের পর কয়েক মাস ভালোই চলছিল তাদের সংসার। কিন্তু কয়েক মাস পর যৌতুকের দাবিতে মাঝে-মধ্যেই নাজমাকে মারধর করতেন। পরে তারা জানতে পারেন মেয়ের জামাই আগের দুই স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করছেন। এ নিয়ে স্বামীর সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব আরও বাড়তে থাকে।
নিহতের বাবা আবদুস সালাম বলেন, ‘ঘটনার দিন রাতেও তার মেয়ে নাজমা আক্তার জামাইকে পরকীয়া করতে নিষেধ করেন। কিন্তু এতে প্রথমে তার স্বামী ও পরে স্বামীর পরিবারের লোকজন তাকে মারধর করেন। এরই একপর্যায়ে তার মেয়ে মারা যান।’
এ বিষয়ে হোমনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী নাজমুল ইসলাম জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে গৃহবধূকে হত্যার আলামত পাওয়া গেছে।