টপ পোষ্ট

সাইফুজ্জামানের ফ্ল্যাটে রোলেক্স ঘড়ি ৩শ’ কোট ৫শ’ টাইসহ আরও যা পেয়েছে দুদক

0


সাইফুজ্জামানের ফ্ল্যাটে রোলেক্স ঘড়ি ৩শ’ কোট ৫শ’ টাইসহ আরও যা পেয়েছে দুদক
একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১৯:১৮, ১৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২০:১০, ১৯ জুলাই ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর গুলশানের দুটি ক্রোককৃত ফ্ল্যাটে রক্ষিত মালামালের তালিকা (ইনভেন্টরি) প্রস্তুতের কাজ শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার সকাল ১০টা থেকে শুরু হয় ইনভেন্টরির কাজ।

প্রাথমিক পর্যায়ে দুদক যেসব সামগ্রী পেয়েছে তার মধ্যে তিন শতাধিক কোট, পাঁচশ ৩২টির বেশি টাই রয়েছে।

এছাড়াও আটটি ঘড়ির বক্স এর মধ্যে চারটি রোলেক্স ব্রান্ডের ঘড়ি, তিন সেট মুক্তার গহনা, চারটি ঝাড়বাতি, একাধিক বিছানা, সোফা এবং একশোটির বেশি কামিজ নথিভুক্ত করেছে দুদকের সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের দল।
আরও দেখুন
টিভি অনুষ্ঠান
Geographic Reference
স্থানীয় সংবাদ

আরও বিভিন্ন মূল্যবান আসবাবপত্র ও সামগ্রী পাওয়া গেছে।

দুদক-এর জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ জানান, ইনভেন্টরির কাজ আগামীকালও চলবে। কাজ শেষে ফ্ল্যাট দুটিতে থাকা সব মালামালের পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।

দুদক  জানায়, ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে গুলশানের রোড-৬৬, প্লট-১১-এর এ-৭ ও বি-৭ নম্বর দুটি ফ্ল্যাটের নিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনা, তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দুদক-এর পরিচালক (সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইউনিট)-কে রিসিভার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

আদালতের পরবর্তী আদেশ অনুযায়ী, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তালাবদ্ধ ফ্ল্যাটে রিসিভারের প্রবেশ ও সেখানে থাকা মালামালের ইনভেন্টরি করার জন্য গুলশান রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নিলয় রহমানকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, দুদক-এর কর্মকর্তারা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে আজ ইনভেন্টরির কার্যক্রম শুরু হয়।
আরও দেখুন
Campaigns & Elections
টিভি সাবস্ক্রিপশন
টিভি বিজ্ঞাপন

এর আগে, গত ২ জুলাই জারি করা এক স্মারকে দুদক জানায়, আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নির্ধারিত তারিখে সংশ্লিষ্ট সবার উপস্থিতিতে ফ্ল্যাট দুটি রিসিভারের দখলে নিয়ে সেখানে রক্ষিত মালামালের ইনভেন্টরি সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এএইচ

সাইফুজ্জামানের ফ্ল্যাটে রোলেক্স ঘড়ি ৩শ’ কোট ৫শ’ টাইসহ আরও যা পেয়েছে দুদক
একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১৯:১৮, ১৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২০:১০, ১৯ জুলাই ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর গুলশানের দুটি ক্রোককৃত ফ্ল্যাটে রক্ষিত মালামালের তালিকা (ইনভেন্টরি) প্রস্তুতের কাজ শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার সকাল ১০টা থেকে শুরু হয় ইনভেন্টরির কাজ।

প্রাথমিক পর্যায়ে দুদক যেসব সামগ্রী পেয়েছে তার মধ্যে তিন শতাধিক কোট, পাঁচশ ৩২টির বেশি টাই রয়েছে।

এছাড়াও আটটি ঘড়ির বক্স এর মধ্যে চারটি রোলেক্স ব্রান্ডের ঘড়ি, তিন সেট মুক্তার গহনা, চারটি ঝাড়বাতি, একাধিক বিছানা, সোফা এবং একশোটির বেশি কামিজ নথিভুক্ত করেছে দুদকের সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের দল।
আরও দেখুন
টিভি অনুষ্ঠান
Geographic Reference
স্থানীয় সংবাদ

আরও বিভিন্ন মূল্যবান আসবাবপত্র ও সামগ্রী পাওয়া গেছে।

দুদক-এর জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ জানান, ইনভেন্টরির কাজ আগামীকালও চলবে। কাজ শেষে ফ্ল্যাট দুটিতে থাকা সব মালামালের পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।

দুদক জানায়, ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে গুলশানের রোড-৬৬, প্লট-১১-এর এ-৭ ও বি-৭ নম্বর দুটি ফ্ল্যাটের নিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনা, তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দুদক-এর পরিচালক (সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইউনিট)-কে রিসিভার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

আদালতের পরবর্তী আদেশ অনুযায়ী, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তালাবদ্ধ ফ্ল্যাটে রিসিভারের প্রবেশ ও সেখানে থাকা মালামালের ইনভেন্টরি করার জন্য গুলশান রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নিলয় রহমানকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, দুদক-এর কর্মকর্তারা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে আজ ইনভেন্টরির কার্যক্রম শুরু হয়।
আরও দেখুন
Campaigns & Elections
টিভি সাবস্ক্রিপশন
টিভি বিজ্ঞাপন

এর আগে, গত ২ জুলাই জারি করা এক স্মারকে দুদক জানায়, আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নির্ধারিত তারিখে সংশ্লিষ্ট সবার উপস্থিতিতে ফ্ল্যাট দুটি রিসিভারের দখলে নিয়ে সেখানে রক্ষিত মালামালের ইনভেন্টরি সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এএইচ

শেয়ার করুণ

Comments are closed.