টপ পোষ্ট

রাজীবের দুই ভাইয়ের দায়িত্ব নিতে চান অনন্ত জলিল

0

চলে গেলেন সড়ক দুর্ঘটনায় হাত হারানো সরকারি তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজীব। মঙ্গলবার রাত ১২টা ৪০ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের চিকিৎসকরা রাজীবকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। গত এক সপ্তাহ ধরেই রাজীব ছিলেন ডিপ কোমায়।

গত ৪ এপ্রিল দুর্ঘটনার পর থেকে রাজীবের পাশে ছিল মামা জাহিদুল ইসলাম, দুই ভাই মেহেদী হাসান (১৩) ও আব্দুল্লাহ (১১)। রাজধানীর তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে মেহেদী আর ষষ্ঠ শ্রেণিতে আব্দুল্লাহ।

তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় মাকে হারান রাজীব। অষ্টম শ্রেণিতে ওঠার পর চিরতরে ছেড়ে চলে যান বাবাও। এরপর থেকে ছোট দুই ভাইয়ের বাবা-মা ছিলেন রাজীব। মাথার উপর থেকে সেই বটবৃক্ষ সরে গিয়ে উঠেছে প্রখর রোদ!

এ রকম এক সময় মঙ্গলবার (১৭ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক পেইজে চিত্রনায়ক অনন্ত জলিল মেহেদী-আব্দুল্লাহ’র দায়িত্ব নিতে আগ্রহী এমন পোস্ট দেন।

তার পোস্টটি পাঠকদের জন্য তুলে দেওয়া হলো:
আজকের দিনে আল্লাহতায়ালা তার সুন্দর ধরণী আর সুন্দর সুন্দর সৃষ্টির মাঝে আমাকে পাঠিয়েছেন, আজ আমার জন্মদিন, তাই শুকুর আলহামদুলিল্লাহ। রাব্বুল আলআমিনের কাছে আমি কৃতজ্ঞ, এ কারণে যে এমন আনন্দের দিনে তিনি আমাকে সপরিবারে মক্কায় অবস্থান করার সুযোগ করে দিয়েছেন। তবে মন খারাপ আরেক কারণে, সকালে দেশের অধিক জনপ্রিয় একটি খবরের কাগজে একটি সংবাদ দেখে। কিছু দিন আগে বাস দুর্ঘটনায় রাজীব নামে একজন মেধাবী শিক্ষার্থী তার হাত হারিয়েছিলেন এবং আজ তিনি পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। যা আমাকে বেশ মর্মাহত করেছে। বাবা-মা হারা এই সন্তান তার ছোট দুই ভাইকে বাবা-মায়ের স্নেহ দিয়ে আগলে রেখেছিল। কিন্তু রাজীবের অকাল বিদায়ে তার দুই ছোট ভাইয়ের ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়েছে। তাই আমার জন্মদিনে আমি চাচ্ছি যে পরিবার হারা এই দুই সন্তানের পড়ালেখার দায়িত্ব নিতে। আশা করি জনপ্রিয় ওই সংবাদপত্রের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আমাকে রাজীবের দুই ভাইয়ের দায়িত্ব নিতে এবং তাদের খোঁজ পেতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে তাদের ভবিষ্যৎ সুন্দর জীবন-যাপনের জন্য সাহায্য করবেন।

শেয়ার করুণ

আপনার মন্তব্য দিন