প্রধান কোচ চন্দ্রিকা হাথুরুসিংহে নেই। নেই সহকারী কোচ হ্যালসেলও। তবে নিদাহাস ট্রফিতে কাকে করা হবে বাংলাদেশের কোচ? ঠিক এমন ক্রাইসিস মুর্হুতে হুট করেই বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশকে অন্তর্বর্তীকালিন কোচ করে নিদাহাস ট্রফির জন্য পাঠানো হয়। তবে সে ক্ষেত্রে সফলও হয়েছেন তিনি। দলকে টেনে ফাইনালে তুলেছেন।
তবে এখন শোনা যাচ্ছে,এই ওয়াশলস নাকি অবশেষে টাইগারদের স্থায়ী প্রধান কোচের দায়িত্ব পাচ্ছেন। জাতীয় দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজনের কথার প্রেক্ষিতে এমনটাই ধারণা করা যায়।
হাথুরুসিংহের পদত্যাগের পর হাই প্রোফাইল কোচ খুঁজেছিল বিসিবি। দুজন কোচের সাক্ষাৎকারও নিয়েছিল সংস্থাটি। কিন্তু মনের মতো কোন কোচই পায়নি। তাই শেষ সিরিজে বোলিং কোচ ওয়ালশকে দিয়েছিল দায়িত্ব। ফলাফল কি হলো তা স্পষ্ট পুরো জাতির কাছে।
তাই খালেদ মাহমুদের কণ্ঠে ওয়ালসের জয়গান। বলেছেন, ‘কোর্টনি দারুণ সৎ একজন মানুষ। নিদাহাস ট্রফিতে খেলোয়াড়দের দারুণভাবে উৎসাহিত করেছেন তিনি। তার অভিজ্ঞতা তো ৪০ বছরের। দীর্ঘদিন ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িত। সবমিলিয়ে শেষ সিরিজে হি ওয়াজ ফ্যানটাসটিক।’
তবে সবশেষে খালেদ মাহমুদ বলেছেন, ‘আমাদের কোচও দরকার, ভালো মানুষও দরকার। আমাদের ছেলেরা আবেগপ্রবণ। এইগুলা সব চিন্তা করে কোচ নির্বাচন করা দরকার।’